Friday, May 10, 2019

ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করার ঘরোয়া কিছু টিপস || Top Four Home Treatments For Oily Skin

আমাদের অনেকের কাছেই মুখের তৈলাক্ততা মানে বেশ বিরক্তিকর একটা ব্যাপার। যা গরমের সময়ই বেশি দেখা যায়। আর মেয়েরা এই সমস্যা গুলা বেশি ফেইস করে। কোনো অকেশনে গেলে মেক আপ ব্যবহার করলেও এই তৈলাক্ততার জন্য দেখতে বেশ খারাপ লাগে। এদিকে তৈলাক্ত ত্বকে লোমকূপ বড় হয়ে যায় যার ফলে তেল জমে সেসব বন্ধ হয়ে ব্রণও ওঠে। তাই প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে তৈলাক্ত ত্বক রক্ষা করতে হলে প্রতিদিন ভালোভাবে ত্বক পরিষ্কার করতে হবে। যা কিনা বাসায় বসেই করা যায়। ত্বকে কৃত্রিম ক্রিম ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক জিনিস ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। আমাদের প্রকৃতিতেই এমন অনেক কিছু আছে যা দিয়ে খুব সহজেই প্রাকৃতিক উপায়ে আমাদের ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করা যায়। তাহলে চলুন জেনে নেই সেই সব উপায় গুলো-

Top Four Home Treatments For Oily Skin
Top Four Home Treatments For Oily Skin

ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করার ঘরোয়া কিছু টিপস || Top Four Home Treatments For Oily Skin

লেবু : এই লেবু তৈলাক্ত ত্বকের প্রধান ওষুধ।


উপকরন :
লেবু

পদ্ধতি :

  • প্রথমে আপনার ত্বক ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে নিন।
  • এরপর লেবুর রস আলতো করে ত্বকে লাগিয়ে নিন।
  • শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি(যেহেতু গরমের দিন) দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। 


শসা : শসার রস তৈলাক্ত ভাব দূর করতে খুবই কার্যকর।


উপকরন :
শসা

পদ্ধতি :

  • বাইরে থেকে এসে প্রথমে আপনার ত্বক ভালো করে ধুয়ে নিন।
  • এরপর শসা থেকে রস বের করে তা আলতো ভাবে ত্বকে লাগিয়ে নিন।
  • শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।


কলা : কলা ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করতে বেশ কার্যকরি।


উপকরন : 
কলা
মধু
লেবু

পদ্ধতি : 

  • একটা পাকা কলার পেস্ট তৈরি করে তার সাথে ১টেবিল চামচ মধু ও কয়েক ফোটা লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে লাগান।
  • এরপর ২০মিনিট শুকাতে দিন।
  • শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।


চালের গুড়া : চালের গুড়া ত্বকের জন্য অনেক উপকারি।


উপকরন :
চালের গুড়া
হলুদ
মধু

পদ্ধতি :

  • প্রথমে এক চা চামচ চালের গুড়া নিয়ে তাতে পরুমান মতো হলুদ এবং সাথে মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে নিন।
  • শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।


সপ্তাহে দিন করে এই প্যাক ব্যবহার করলে ত্বক পরিষ্কার হবে এমনকি ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস দূর হয়ে যাবে। তবে ব্রণ থাকলে স্ক্রাব করা যাবে না।

Thursday, April 11, 2019

চুলের আগা ফাটা রোধ করতে ঘরোয়া কিছু টিপস

চুল নিয়ে আমরা কম বেশি সবাই চিন্তিত। চুলের অনেক ধরনের সমস্যা রয়েছে। তার মধ্যে আগা ফাটা অন্যতম। আগা ফাটার জন্য চুল বেড়ে ওঠে না। এমনকি চুল দেখতেও খারাপ দেখা যায়। কারও সামনে আনকমফরটেবল ফিল করে। চুলের জন্য নিজেকে দেখতেও অনেকটা খারাপ লাগে। কোনো অনুষ্ঠানের জন্য নিজেকে পারফেক্ট মনে হয় না। আর এই সমস্যা দূর করতে কতই না শ্যাম্পু, নামী দামি প্রসাধনী ব্যবহার করে। তাতে কোনো কাজই হয় না। এমনকি এর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। যাতে করে চুলের অবস্থা আরও অনেক বেশি খারাপ হয়ে যায়। তাই আপনাদের চুল নিয়ে এই দুঃশ্চিন্তা দূর করতে আমি আপনাদের সামনে কিছু টিপস নিয়ে হাজির হয়েছি। চলুন দেখে নেওয়া যাক-

চুলের আগা ফাটা রোধ করতে ঘরোয়া কিছু টিপস
চুলের আগা ফাটা রোধ করতে ঘরোয়া কিছু টিপসচুলের আগা ফাটা রোধ করতে ঘরোয়া কিছু টিপস-

চুলের আগা কাটা : চুলের যতটুকু অংশ ফেটে গেছে তা সামান্য কেটে ফেলে দিন। তারপর এর প্রয়োজনীয় পুষ্টির যোগান সরবরাহ করতে থাকুন, দেখবেন আপনার চুল বাড়তে ও লম্বা হতে শুরু করবে। কিন্তু কীভাবে তা করবো, প্রশ্ন চলে আসে, তাই না? চলুন, এবার জেনে নেওয়া যাক কী কী উপায়ে আগা ফাটা রোধ করা যায়।

টিপস- ১

উপকরণ- 

  • ডিম
  • মধু
  • অলিভ অয়েল

পদ্ধতি- 

  • প্রথমে একটি ডিমের সাদা অংশ আলাদা করে নিন।
  • এরপর ১চা চামচ মধু,২চা চামচ অলিভ অয়েলের সাথে ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে নিন।
  • তারপর চুলে আলতো করে লাগিয়ে শুকানোর জন্য অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে শ্যাম্পু করে নিন। মাস খানেক ব্যবহার করলেই ফলাফল নিজের চোখেই দেখতে পাবেন। ডিমের সাদা অংশ চুলের জন্য উপকারী।  তাই চুলে ডিম ও মধু ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। 

টিপস- ২

উপকরণ- 

  • জবা ফুল
  • নারিকেল তেল 

পদ্ধতি- 

  • একটা পাত্রে নারিকেল তেল নিয়ে তাতে ২-৩টা জবা ফুল দিয়ে কিছু গরম করুন।
  • তারপর তা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ছেকে নিন।
  • এরপর চুলে লাগিয়ে নিন। শুকিতে গেলে ধুয়ে ফেলুন। চুল স্বাভাবিক অবস্থায় না ফেরা পর্যন্ত টিপসটি ফলো করুন। ডিমের সাদা অংশ চুলের জন্য উপকারী।  তাই চুলে ডিম ও মধু ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। 

টিপস -৩

উপকরণ- 

  • পাকা কলা
  • টক দই
  • গোলাপ জল

পদ্ধতি- 

  • ১টি পাকা কলা, ২চা চামচ টক দই, ১চা চামচ গোলাপ জল একসাথে মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে নিন।
  • শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার করে ব্যবহার করুন। কলাতে থাকা পটাশিয়াম, জিঙ্ক, আয়রন, ভিটামিন ইত্যাদি পুষ্টি উপাদান চুলের জন্য উপকারী, যা চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং আগা ফাটা রোধ করে।