Wednesday, June 26, 2019

সাকিব আল হাসান - রেকর্ডবয় ।। সাকিব আল হাসানের রেকর্ড সমূহ

সাকিব আল হাসান, বাংলাদেশের ক্রিকেটের প্রাণ। বিশ্বসেরা ওডিআই অলরাউন্ডার। তাঁর অসাধারণ পারফরম্যান্সের মাধ্যমে যোগ করেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটে এক নতুন মাত্রা। বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশকে করে দিয়েছেন এক শক্তিশালী অবস্থান। জায়গা করে নিয়েছেন কোটি বাঙালির প্রাণের মাঝে।


All records of Shakib Al Hasan
All Records Of Shakib Al Hasan

সাকিব আল হাসান - রেকর্ডবয় ।। সাকিব আল হাসানের রেকর্ড সমূহ


সাকিবকে অনেকে আবার রেকর্ডবয় বলেও ডাকেন। ডাকবেন না বা কেনো? রেকর্ড গড়া যেন তার এক চিরপরিচিত অভ্যাসে পরিনিত হয়েছে। কোন রেকর্ডটি নেই আমাদের সাকিব আল হাসানের? চলুন এক নজরে দেখে নেই আমাদের রেকর্ডবয় এর রেকর্ড সমূহ-

#1 যেকোনো উইকেটে বাংলাদেশের সেরা ওডিআই জুটি-আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফির ২০১৭ সালের ৯ই জুন নিউজিল্যান্ড এর বিপক্ষ ম্যাচে কার্ডিফে ৫ম উইকেটে সাকিব আল হাসান এবং মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ মিলে ২২৪ একটি অসাধারণ জুটি গড়েন। এটি যেকোনো উইকেটে বাংলাদেশের সেরা ওডিআই জুটি। সাথে সাথে এটি আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফির ইতিহাসের ৫ম উইকেটে সেরা জুটির খেতাবও অর্জন করে। 

#2 এক মাঠে টি-২০ তে সবথেকে বেশি উইকেট নেয়া- সাকিব আল হাসান মিরপুর শের-ই-বাংলা ন্যাশনাল স্টেডিয়াম এ টি-২০ ম্যাচে একই মাঠে সবথেকে বেশি উইকেট নেয়ার রেকর্ড করেন। তিনি সর্বমোট ৭৬টি উইকেট নিয়ে এই রেকর্ডের অধিকারী হয়েছিলেন। 

#3 ক্রিকেটের ইতিহাসে সাকিব আল হাসান চতুর্থ বোলার যে কিনা টেস্ট খেলা সকল দলের বিপক্ষে ৫উইকেট নেয়ার রেকর্ড গড়েন। তাঁর আগে ডেল স্টেইন, মুত্তিয়া মুরালিধরন এবং রঙ্গনা হেরাথ এই রেকর্ড গড়েন। 

#4 বিশ্ব ক্রিকেটের তৃতীয় দ্রুততম অলরাউন্ডার হিসেবে সাকিব আল হাসান ব্যাট হাতে ১০,০০০ রান এবং বল হাতে ৫০০ উইকেট নেয়ার রেকর্ড গড়েন। 

#5 প্রথম স্পিনার হিসেবে ওডিআই এ একই মাঠে ১০০+ উইকেট নেয়ার রেকর্ড সাকিব আল হাসানের। 

#6 ২০১৭ সালে নিউজিলান্ডের বিপক্ষে টেস্টে সাকিব আল হাসান একটি মজার রেকর্ড গড়েন। তা হলো ক্রিকেট ইতিহাসের সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাকিব আল হাসান একটি টেস্ট এ এক ইনিংস এ ডাবল সেঞ্চুরী এবং পরের ইনিংস এ শূন্য রান করার রেকর্ড করেন। 

#7 ক্রিকেট ইতিহাসের তৃতীয় অলরাউন্ডার হিসেবে সাকিব আল হাসান একই ম্যাচ এ ১০০+ রান এবং ১০ উইকেট নেয়ার রেকর্ড গড়েন। (টেস্ট ম্যাচ )

#8 পৃথিবীর একমাত্র অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান যে কিনা ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই (টেস্ট, ওডিআই, টি-২০) এক নম্বর অলরাউন্ডার হওয়ার রেকর্ড গড়েছিলেন। 

#9 দ্রুততম অলরাউন্ডার হিসেবে সাকিব আল হাসান ৩০০০ টেস্ট রান এবং ২০০ টেস্ট উইকেট নেয়ার রেকর্ড গড়েন। 

#10 দ্রুততম অলরাউন্ডার হিসেবে সাকিব আল হাসান ৫০০০ ওডিআই রান এবং ২০০ ওডিআই উইকেট নেয়ার রেকর্ড গড়েন। 

#11 প্রথম বাংলাদেশী বোলার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৫০০ উইকেট নেয়ার রেকর্ড করেন। 

#12 দ্বিতীয় বাংলাদেশী ব্যাটসম্যান হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০,০০০ রান করার  রেকর্ড গড়েন। 

#13 সাকিব আল হাসান বাংলাদেশের টেস্ট এবং টি-২০ ফরম্যাটের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী। 

#14 এক মাঠে সর্বোচ্চ রান (৩৯৮০ রান) এবং সর্বোচ্চ উইকেট (১৯০ উইকেট) নেয়ার রেকর্ড সাকিব আল হাসানের। (টেস্ট, ওডিআই, টি-২০ মিলে)

#15 ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর বিপক্ষ ম্যাচে সাকিব আল হাসান অষ্টম ক্রিকেটার হিসেবে তিনটি ফরম্যাটে কমপক্ষে পাঁচটি উইকেট নেয়ার রেকর্ড গড়েন। 

#16 টি-২০ তে অধিনায়ক হিসেবে সব থেকে ভালো বোলিং পারফরমেন্স (৫/২০) সাকিব আল হাসানের এবং সাকিবই একমাত্র খেলোয়াড় যে অধিনায়ক  হিসেবে কোনো টি-২০ ম্যাচ এ ৫ উইকেট নেয়। 

#17 সাকিব দ্বিতীয় বাংলাদেশী বোলার হিসেবে ওডিআই এ ২৫০ উইকেট শিকার করেন। 

#18 সাকিব সবথেকে দ্রুত এবং ৫ম খেলোয়াড় যে ওডিআই এ একই সাথে ৫০০০ রান এবং ২৫০ উইকেট এর মাইলফলক অর্জন করেন। 

#19 সাকিব সারা বিশ্বের ৩ ক্রিকেটার এর একজন যে কিনা টি-২০ তে ৪০০০ রান এবং ৩০০ উইকেট এর অধিকারী। সে সবথেকে দ্রুত এই মাইলফলক অর্জন করেন। 

#20 ক্রিকেটে সবথেকে দ্রুত ১১,০০০ রান এবং ৫০০ উইকেট এর মাইলফলক অর্জন করেন আমাদের সাকিব আল হাসান। 

#21 সাকিব পৃথিবীর অন্যতম দ্রুত এবং ৪র্থ খেলোয়াড় যে ওডিআই এ একই সাথে ৬০০০ রান এবং ২৫০ উইকেট এর মাইলফলক অর্জন করেন। 

#22 সাকিব প্রথম বাংলাদেশী খেলোয়াড় যে বিশ্বকাপে ১০০০ রান এর মাইলফলক অর্জন করেছেন। 

#23 সাকিব প্রথম বাংলাদেশী খেলোয়াড় যে বিশ্বকাপে এক ম্যাচ এ ৫ উইকেট নেয়ার মাইলফলক অর্জন করেছেন। 

#24 সাকিব একমাত্র ক্রিকেটার যে যে ওয়ার্ল্ড কাপ এ একই সাথে ১০০০ রান এবং ৩০ উইকেট নেয়ার মাইলফলক অর্জন করেছেন। 

#25 সাকিব একমাত্র ক্রিকেটার যে যে সিঙ্গেল ওয়ার্ল্ড কাপ এ একই সাথে ৪০০ রান এবং ১০ উইকেট নেয়ার মাইলফলক অর্জন করেছেন। 

#26 সাকিব ক্রিকেট ইতিহাসের দ্বিতীয় খেলোয়াড় যে ওয়ার্ল্ড কাপ এর একটি ম্যাচ এ ব্যাটিং এ ৫০ রান করার সাথে সাথে বোলিং এ ৫ উইকেট নিয়েছেন। 

এই পোস্টটি লেখার সময় গর্বে আমার হাত কাঁপছিলো, মনটা আনন্দে ভরে উঠছিলো। আহা কয় দেশের মানুষ এরকম রত্ন নিয়ে গর্ব করতে পারবে? এই পোস্ট এখানেই শেষ নয়। সাকিব ভাই এর নিয়মিত রেকর্ড এ এই পোস্ট ও আপডেট হতে থাকবে। অনুরোধ থাকবে সবার কাছে, একটি করে শেয়ার করে হলেও পোস্টটি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন। 

- তথ্যসূত্র উইকিপিডিয়া

Thursday, May 30, 2019

শরীরের ওজন কমানোর কিছু সহজ উপায়

রোজ টিভিতে যখন অ্যাক্ট্রেসদের দেখি তখন ভাবি ইসসসস আমিও যদি এমন স্লিম হতে পারতাম। কি বন্ধুরা এমন আফসোস কখনও হয়েছে কি? যদিও আমার অযথা প্রশ্ন করাটাই বোকামি। যাই হোক সবাই স্লিম হতে চান। কিন্তু খাবার দেখলে যেন কেউ লোভ সামলাতে পারেন না। এদিকে ওজন কমিয়ে স্লিম হতে ব্যস্ত। অনেকে অনেক চেষ্টা করেও কোনো ফল পাচ্ছেন না। তাহলে বলব তাদের জন্য আমার আজকের এই আয়োজন। কিভাবে মাত্র এক মাসে ওজন কমানো যায়। চলুন তাহলে শুরু করি- 

শরীরের ওজন কমানোর কিছু সহজ উপায় - 

ওজন কমানোর উপায়

ব্যায়াম 

প্রতিদিন-ই ব্যায়াম করতে হবে না। সপ্তাহে ৪ দিন করাই যথেষ্ট। ছোটখাটো ব্যায়াম, যেগুলো কোন রকম যন্ত্রপাতি ছাড়াই করা সম্ভব-এই ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ গুলো করতে পারেন।

দ্রুত হাটা

দ্রুত ওজন কমানোর উপায় যদি চিন্তা করেন তবে সেক্ষেত্রে হাটার কোন বিকল্প নেই। প্রথমেই ৫ মিনিট দ্রুত হাটুন,তারপর ৩০ সেকেন্ড এর বিরতি, এই ৩০ সেকেন্ড আস্তে আস্তে হাটুন। এভাবে কয়েকবার করতে হবে। প্রথম প্রথম ২০ মিনিট করুন, তারপর আস্তে আস্তে ৫০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা পর্যন্ত করতে পারেন। এই ব্যায়ামে ১ মাসে ১৩ পাউন্ড পর্যন্ত ওজন কমতে পারে।

পুশ আপ

এই ব্যায়ামটাও আমাদের খুব পরিচিত। উপুড় হয়ে দেহের ভার হাত আর পায়ের পাতার উপর দিয়ে, একবার নীচে নামুন, আরেকবার উপরে তুলুন। এতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে এক পা উপরে তুলে তিনবার করুন,পরবর্তী তিনবার অপর পা উপরে তুলে পুশ আপ করুন। 

বারপি ব্যায়াম

ওজন কমাতে এই ব্যায়ামটিও অনেক কার্যকরি। দুই পা একসাথে রেখে দুই হাত মাথার উপরে তুলুন। তারপর ধীরে ধীরে হাত নামিয়ে মাটিতে রাখুন, দুই হাত দুই পায়ের দুই পাশে। এবার প্রথমে বাম পা পেছনে বর্ধিত করুন, তারপর বাম পা আগের অবস্থায় এনে ডান পা পেছনে বাড়ান। তারপর আবার দাঁড়িয়ে দুই হাত মাথার উপরে তুলুন। এভাবে কয়েকবার করুন। 

খাদ্যাভ্যাস


গ্রিন টি

গ্রিন টি সম্পর্কে সবাই কম বেশি জানেন। অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে এর কোন জুড়ি নেই। মেটাবোলিজমের হার বাড়িয়ে বাড়তি মেদ জমতেও দেয় না। 

পানি

পানির অপর নাম জীবন। সবাই শুনে থাকবেন এই কথা। পানি পান না করে তো বাচা অসম্ভব। কিন্তু পানি যে ওজন-ও কমায়,এটা হয়তো অনেকেই জানি না। এখন দিনে আপনি যতটা পানি পান করেন তার চেয়ে যদি দেড় লিটার প্রতিদিন বেশি পান করেন, তবে বছরে ১৭,৪০০ অতিরিক্ত ক্যালরি বার্ন করা সম্ভব।

স্টার্চ

এ জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলাটাই ভালো। রিফাইন্ড ময়দা, সাদা চাল, আলু এগুলো এড়িয়ে চলুন। ব্রাউন আটা খেতে পারেন। কার্বোহাইড্রেট বাদ দেয়া যাবে না। কার্বোহাইড্রেট এর চাহিদা পূরণ করবেন শাকসবজি,ডাল, ব্রাউন আটা এগুলো থেকে।

Tuesday, May 28, 2019

বিজ্ঞানের ভুলবশত আবিষ্কার করা ৫টি জনপ্রিয় জিনিস

বিজ্ঞানীদের আবিষ্কারের কোনো তুলনাই নেই। তারা কতটা পরিশ্রম করে কত কিছুই না আবিষ্কার করেছেন। এমনও অনেক কিছু আবিষ্কার করে ফেলেছেন যা কিনা তারা নিজেই ভাবতে পারেন নি। আর তা বর্তমান সময়ে অনেক জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছে। এমনকি সেসব জিনিস ছাড়া একটা মুহূর্ত যেন চলে না। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া কি সেই জিনিস যা কিনা বিজ্ঞানীদের ভুলবশত আবিষ্কার করে ফেলেছেন- 

বিজ্ঞানের ভুলবশত আবিষ্কার করা ৫টি জনপ্রিয় জিনিস

বিজ্ঞানের ভুলবশত আবিষ্কার করা ৫টি জনপ্রিয় জিনিস
বিজ্ঞানের ভুলবশত আবিষ্কার করা ৫টি জনপ্রিয় জিনিস


Match Sticks

এই ম্যাচ স্টিক বা দিয়াশলাই কাঠি আবিষ্কৃত হয় ১৮০০ সালের শুরুর দিকে। বিখ্যাত ফার্মাসিস্ট জন ওয়াকার প্রতিদিনের মতো একদিন এক ওষুধ বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ মিক্সড করতে কাঠের স্টিক ব্যবহার করছিলেন। হঠাৎই একদিন দেখে তার ব্যবহার করা কাঠের স্টিকে কিছু কেমিক্যাল লেগে আছে। তাই সেই কেমিক্যাল ঘষে ঘষে তোলার সময় সেখানে আগুন লেগে যায়। তখনকার সময় ইলেকট্রিসিটির প্রচলন ছিল না। তাই তার এই ভুল করে আবিষ্কৃত হওয়া দিয়াশলাই কাঠিটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে যায়। 

Potato chips

নিউইয়র্কের একজন বিখ্যাত শেপ জন ব্রাম যে রেস্টুরেন্টে কাজ করত সেখানে কাস্টমারের থেকে প্রতিদিন কমপ্লেন আসতো তার তৈরি ভাজা যে কোনো খাবারই তেমন মুচমুচে ও সুস্বাদু হয় না। তাদের এই কমপ্লেনে বিরক্ত হয়ে তিনি ভাবলেন আলুগুলোকে তিনি যতটা সম্ভব চিকন করে কেটে ডিপ ফ্রাই করবেন। আর তিনি ভাবতেও পারেন নি তার বানানো এই রিসিপিটি এতোটা পপুলার আর সুস্বাদু হবে। এটি ১৮৫৩ সালের পর এতোটাই জনপ্রিয় হয়ে গেছে যে এই পটেটো চিপস ২০০টিরও বেশি ভিন্ন ভিন্ন ফ্লেভারে তৈরি করা হয়েছে।

Plastic

পৃথিবীর অন্য সব আবিষ্কারের মধ্যে প্লাস্টিকও একটি গুরুত্ব পূর্ণ আবিষ্কার। যা বিনষ্ট হতে শত শত বছর লেগে যায়। যদিও এই প্লাস্টিকের অপব্যবহারের কারনে আমাদের এই প্রকৃতির সর্বনাশ হয়ে চলেছে। তবুও এটা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না প্লাস্টিক আমাদের কত উপকারেও আসছে। আমরা দুচোখে এখন যাই দেখি এবং ব্যবহার করি সবই প্লাস্টিকের তৈরি। যাই হোক বিংশ শতাদ্বীর আগে প্লাস্টিকের পরিবর্তে শেলেক ব্যবহার করা হত। কিন্তু শেলেক অনেক দামী জিনিস ছিল যা সবাই ব্যবহার করতে পারত না। যার কারনে তখনকা রসায়নবিদ লিও হেনরিক শেলেকের পরিবর্তে এমন কিছু বানাতে চাইলেন যা কিনা সবাই ব্যবহার করতে পারে। তেমন কিছুর খোজ করতে করতে নিজের অজান্তেই এমন কিছু বানিয়ে ফেললেন যা কিনা সব রকম গরম সহ্য করতে পারে। আর এই জিনিসটিই বর্তমানে আমরা প্লাস্টিক হিসেবে ব্যবহার করি। 

Antibiotics

আজকাল বড় বড় চিকিৎসার জন্য এই এন্টিবায়োটিকস ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আপনি কি জানেন এই এন্টিবায়োটিকস কিভাবে তৈরি হয়েছিল। অত্যন্ত মজার গল্প এটি। একজন স্কটিস বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্রেমিক একদিন তার ল্যাবের টেবিলে নোংরা টেস্টিং প্লেট রেখে বাইরে চলে যায়। তারপর ৩ সেপ্টেম্বর ১৯২৮ এ যখন সে ফিরে আসে তখন দেখে তার রেখে যাওয়া নোংরা প্লেটগুলোতে ব্যাকটেরিয়া জন্মে গেছিলো। তারপর সেই প্লেট গুলোকে লাইসলের ট্যাংকে রেখে দিলেন। সেখান থেকে একটি প্লেটে তিনি দেখলেন স্টেফিলকাস নামে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া সেই প্লেটে লেগে আছে। কিন্তু এই ব্যাকটেরিয়া গুলো প্লেটের এমন জায়গায় বিচরন ঘটাতে পারে নি যেখানে ফাংগাস নামে এক ধরনের পদার্থ ছিল। তখন তিনি বুঝতে পারলেন ব্যাকটেরিয়া গুলপ সম্পূর্ণ প্লেটে ছড়াতে পারে নি এই ফাংগাসের কারনে। এ বিষয়ে আরও রিসার্চ করতে করতে ফাইনালি পেনিসিলিনের আবিষ্কার করেন ডক্টর ফ্রেমিক। তার এই বিশ্ব কাপানো আবিষ্কারের কারনে ১৯৪৫ সালে তিনি নোবেল পান। 

Vulcanize Rubber

চার্লস গুডিয়া নামে এক বিজ্ঞানী রাবারের গুণগত মান বাড়ানোর চেষ্টা করছিলেন। ১৯ এর দশকে রাবারের ইলাস্টিসিটি কম ছিল। তাই তিনি রেজিনের সাথে চিনি, লবন, বালি, ক্ল্যাস্টরয়েল মেশান। কিন্তু তবুও তিনি তার মনের মতো রাবার তৈরি করতে ব্যর্থ হন। এরপর তিনি রাবারের সাথে ম্যাগনেসিয়াম ও নাইট্রিক এসিড মিশান। আগের বারের মতো এবারও তিনি ব্যর্থ হন। আর এইবার তিনি রাগের বশে রাবারের সাথে সালফার মেশান। তারপর সেই রাবার একটু গরম জায়গায় পরে গেল। আর পরক্ষণে সেই রাবার দেখে তিনি কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। কেননা এতোদিন ধরে তিনি যা বানাতে চেয়েছিলেন তা নিজের অজান্তেই তৈরি করে ফেলেছেন। তার এই আবিষ্কার এখন গাড়ির টায়ার থেকে শুরু করে টেনিস বল বানাতেও ব্যবহার করা হয়।

Monday, May 27, 2019

একটু অন্যরকম || বাংলা রোমান্টিক লাভ স্টোরি

একটু অন্যরকম

রোমান্টিক বাংলা লাভ স্টোরি  (ভালোবাসার গল্প)

লেখক - অভ্র

রোমান্টিক গল্প
রোমান্টিক গল্প

সবাই বলে আমি নাকি সবার থেকে আলাদা। কি জানি আমি তো নিজের মধ্যে আলাদা কিছু খুঁজেই পাইনা। মাঝে মাঝে খুঁজতে খুঁজতে হয়রান হয়ে যাই এই আলাদা আমিকে। তবুও পাইনা। ধূর, ভাল্লাগেনা। কি করি বলেন তো!

সিয়ামের কথাগুলো শুনে নীরা তো হাসতে হাসতে শেষ। অবশেষে হাসি থামিয়ে নীরা বলে উঠলো আলাদাই তো

সিয়াম- না মানে সিরিয়াসলি? কিভাবে?

নীরা- না মানে দেখো এত সুন্দরী একটা স্মার্ট একটা মেয়ে তুমার সাথে বসে আছে তাকে তুমি তুমি করে বলবে কি তা না সেই আপনি আপনি করে বলছো।

সিয়াম- এইটা কোনো যৌক্তিক কারণ হলো?

নীরা- হ্যাঁ হলোই তো। তুমি আলাদা বলেই তো আপনি করে বলছো। দেখো আমি তুমি বলি আর তুমি আপনি বলো। অথচ অন্য কোনো ছেলে হলে ব্যাপারটা ঠিক উল্টো ঘটত। ছেলেটা তুমি করেই বলতো মেয়েটাকে। হয়তো মেয়েটা আপনি করে বলতো কয়েকবার তারপর তুমি করেই বলতো।

সিয়াম- হুহ আমি মেয়েদের আপনি করেই বলি।

নীরা- এরজন্যই তোমাকে সবাই আলাদা বলে। এরকম আরো অনেক কারণ আছে বুঝলা। যেমন তুমি মেয়েদের সাথে কথা বলো না,, কোনো মেয়ে ডাক দিলে তাকে ইগনোর করো। আবার কারো হেল্প লাগলে তুমিই আগে যাও ইত্যাদি ইত্যাদি।

সিয়াম- হুম। থাক আর ব্যাখ্যা দিতে হবেনা।

নীরা- যাহা হুকুম জনাব।

সিয়াম- চলো তাহলে এবার উঠি সন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছে।

নীরা- কিই তুমি তুমি করে বলছো? সত্যি? মানে আবার বলো তো,,,।।।

সিয়াম- হইছে আর ধং করতে হবে না,, উঠো।

নীরা- আহ,, সত্যি তুমার তুমি ডাকটানা বটতলার সেই মামার চায়ের দোকানের মামার চায়ের থেকেও মিষ্টি।

সিয়াম- হাহাহা তুমি পারোও পাম দিতে। কবে যে ফুলে ব্রাস্ট হয়ে যাবো।

এভাবে কথা বলতে বলতে হাটতে হাটতে নীরাদের বাসার কাছে চলে আসলো ওরা দুজন। নীরাকে বাই বলে সিয়াম হাঁটতে লাগলো।

নীরাতো বড্ড খুশি। আজ তাকে সিয়াম এই ২ বছরের পরিচয়ে প্রথম তুমি করে বলছে।

নীরা আর সিয়ামের পরিচয় হয় ভার্সিটিতে ভর্তির কিছুদিন পর। সবার থেকে আলাদা হওয়ায় নীরার খুব ভালোলেগে যায় সিয়ামকে। যেটাকে অনেকটা বলে লাভ এট ফাস্ট সাইড। নীরা অনেক কষ্টে সিয়ামের সাথে বন্ধুত্ব করতে পারলেও আজ পর্যন্ত বোঝাতে পারেনি যে, সে তাকে ভালোবাসে। নীরার মনে ভয় কাজ করে যে সিয়াম এমনিতেই অন্যরকম,  তার উপর এগুলো বললে ও যদি কথা না বলে তাই সে এই আশা নিয়ে তার ফ্রেন্ডশিপটাকেই ২ বছর ধরে কন্টিনিউ করে আসছে যে সিয়াম একদিন ঠিক বুঝতে পারবে।

সিয়াম অনেক শান্ত আর ভালো একটা ছেলে। বাবা মায়ের খুব আদরের। এতো আদরের যে ওর মা এতো বড়ো হওয়া সত্যেও এখনো ওকে গোসল করিয়ে দেয়। সিয়ামের বেষ্ট ফ্রেন্ড হচ্ছে তার ছোটো বোন আলেয়া। ভাইয়ার পেটের সব কথা যতক্ষণ সে জানতে না পারবে ততক্ষণে তার ঘুম হবে না।

সিয়াম বাসায় ঢুকলো। হাত মুখ ধুয়ে মায়ের কাছে বারান্দায় গিয়ে বসে পড়লো। ওখানেই ছিলো আলেয়া।

সিয়ামের মা- কি বাবা নীরার সাথে দেখা হলো?

সিয়াম অন্যরকম হওয়ায় সে তার মায়ের কাছেও কিছু লুকোয় নি। বাসার সবাই নীরাকে চিনে আর পছন্দও করে। তবে তারা অপেক্ষায় আছে কবে তাদের ছেলে মুখ ফুটে নীরাকে ভালোলাগার কথা তাদের বলে। যদিও সিয়ামের মধ্যে এরকম কোনো ভাবনাই নেই। সে জে অন্যরকম। সে নীরাকে ফ্রেন্ড ছাড়া আর কিছু ভাবেই না।

সিয়াম- হ্যাঁ হলো তো।

আলেয়া- তা কি গল্প করলি ভাবীর সাথে এতক্ষণ?

সিয়াম- ওই ভাবি মানে? ও আমার ফ্রেন্ড।  তোর ভাবি হবে কেনো?

আলেয়া- বুঝি বুঝি ফ্রেন্ড না কি।

সিয়াম- মা ওকে চুপ করতে বলবে। নাহলে কিন্তু,,

সিয়ামের মা- হাহাহা আলেয়া তুই থাম। তুই জানিস না তোর ভাইয়া কেমন?

আলেয়া- মা তুমি আমার থেকে ওরে বেশি চিনো না। আচ্ছা ভাইয়া, অনেকদিন তো হলো প্রেম করলি। এখন প্রোপোজটা করেই ফেল। কি সুন্দর দেখতে নীরা আপু। একেবারে পুতুলের মতো।

সিয়াম- থামবি তুই?

আলেয়া- তোর ভালোর জন্যই বললাম। অন্য কেউ করে ফেললে কষ্ট পাবি তখন হাহা দেবদাস ভাই আমার তখন দেখতে কেমন হবে হাহাহা। আচ্ছা তখন কি তুই মাথার চুল আর দাঁড়ি রেখে দিবি?

সিয়াম- মা এবার সত্যি ও কিন্তু বাড়াবাড়ি করছে।

এগুলো শুনে মা হাসতে হাসতে আলেয়াকে থামানোর চেষ্টা করছে।

সিয়াম আর আলেয়ার বয়সের ব্যবধান খুব বেশি না হওয়ায় সারাক্ষণ দুইজনের এভাবে লেগেই থাকে৷ তবে দিনশেষে একে অপরের সবথেকে কাছের বন্ধু।

পরেরদিন সকালে সিয়াম ভার্সিটি গেলো। আজ সে বাড়ি থেকে ঠিক করেই বের হইছে সে আর আলাদা বলতে দিবেনা কাউকে। সবাই সবার সাথে যেমন মিশে, বিহেব করে,  সেও ওরকম নরমাল থাকার চেষ্টা করবে।

ক্লাসে আজ নীরা লক্ষ করলো সিয়াম খুব হাসিখুশি,, সে সবার সাথে আড্ডা দিচ্ছে। তাকেও এসে জিজ্ঞেস করলো কেমন আছো? সে আর কি উত্তর দিবে, এত চেঞ্জ তো সে বিশ্বাস ই করতে পারছিলো না।  সব ঠিক ছিলো যতক্ষণ পর্যন্ত অঘটন টা না ঘটলো। ভার্সিটি ছুটি হলে সিয়ামকে মেঘলা নামের একজন ডাক দিলে সে তার উত্তর নেয় এবং তার সাথে কথা বলতে বলতে সে ক্যাম্পাসে হাঁটতে থাকে। এটা দেখে শুরুতে নীরার একটু খারাপ লাগলেও সে নিজেকে বোঝানোর ট্রাই করে এটাতো স্বাভাবিকই। কথা তো বলতেই পারে। 

কথা বলতে বলতে সিয়াম ক্যাম্পাস থেকে ৩নং গেটে চলে আসে যেখানে নীরা ওয়েট করছিলো। মেঘলাকে বাই বলে নীরার কাছে এসে দাঁড়ালো সিয়াম।

সিয়াম- সরি নীরা একটু লেট হয়ে গেলো মেঘলার সাথে কথা বলতে বলতে।

নীরা- ইটস ওকে।

সিয়াম- ফুসকা খাবে?

নীরা- না সিয়াম আজ ভালো লাগছেনা, চলো বাসার দিকে যাই।

সিয়াম- আচ্ছা ঠিক আছে।

বিকেলে নীরা লেকের পাড়ে বসে বসে অপেক্ষা করছে ২০ মিনিট হয়ে গেলো। সিয়াম এখনো আসেনি। ২ বছরে কোনোদিনও এরকম হয়নি। হঠাৎ একটা মেসেজ আসলো নীরার ফোনে,

সিয়াম- সরি নীরা আজ আসতে পারলাম না। একটু ফ্রেন্ডদের সাথে মোহাম্মদপুর যাচ্ছি। প্লিজ রাগ করো না। কালকে দেখা হবে কেমন।

নীরার এই মেসেজটা পরে অনেকটা কান্না চলে আসলো। দুই বছরে এমন একদিনও হয়নি যে সিয়াম আসেনি। তবে সে নিজেকে সামলে নিলো। সে ভাবলো সিয়ামের এই চেঞ্জটাও একটু দরকার নাহলে সে একঘেয়ে হয়ে যাবে। নীরা ওই বিকেলে একাই হাটঁতে হাটঁতে বাড়ি চলে গেলো।

বাড়ি ঢুকতেই নীরাকে দেখে তার মা তাকে জিজ্ঞেস করলো,

- কিরে ওরকম মন খারাপ করে আছিস কেনো? কি হয়েছে? সিয়াম কিছু বলছে?

নীরার বাবা মাও সিয়ামের সাথে তার মেয়ের ফ্রেন্ডশিপ সম্পর্কে জানে।

নীরা- না মা। ও তো আসেই নি আজকে।

- কেনো অসুস্থ?

নীরা- না,,  ফ্রেন্ডদের সাথে বের হইছে

- ও তাই আমার মেয়ের মন খারাপ।  বোকা মেয়ে।

এভাবে কয়েকদিন চলে গেলো। সিয়াম আস্তে আস্তে অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। নীরা লক্ষ করলো সিয়াম ওকে অনেকটা ইগনোর করা শুরু করেছে। তাকে একেবারেই সময় দেয়না। তার সাথে বিকেলে দেখা করার সময় সিয়ামের হয়না। আবার ভার্সিটি থেকেও একাই চলে আসে। নীরার খুব খারাপ লাগতে লাগে বিষয়গুলো। কারণ গত দুই বছরে সে সিয়ামকে বড্ড বেশি ভালোবেসে ফেলেছে।

হঠাৎ নীরার জ্বর এসে পরে। অনেকদিন সে ভার্সিটিতে যায়না। সিয়াম এবার ব্যাপারটা নোটিশ করে। সে নীরাকে ফোন দেয়। কিন্তু ফোন অফ। সে ভাবতে লাগে হঠাৎ কি হলো মেয়েটার।

ওইদিন বিকেলে সিয়াম ওই লেকের কাছে আসে নীরার সাথে দেখা করতে। কিন্তু নীরা আসেনা। সে আবার নীরাকে ফোন দেয়। এবারো ফোন অফ।

সিয়াম এবার দুশ্চিন্তায় পরে যায়। পরের দিন ভার্সিটিতে নীরাকে না দেখে সে সরাসরি নীরাদের বাসায় চলে যায়। দেখে নীরা শুয়ে আছে আর ওর মা মাথায় জলপট্টি দিচ্ছে। মেয়েটার মুখ শুকিয়ে গেছে। প্রচন্ড জ্বর কয়েকদিন ধরেই।

নীরার মা- দেখো তুমার কথা ভাবতে ভাবতে কি জ্বরটাই না বাধিয়েছে। গত কয়েকদিন তুমার সাথে দেখা করতে বিকেলে বের হয় কিন্তু দেখা না হওয়ায় আপসেট হয়ে বসে থাকে। আর হঠাৎ করেই এত্ত জ্বর। তোমাদের কি ঝগড়া হয়েছে সিয়াম?

সিয়াম কি বলবে বুঝে উঠতে পারেনা। ও বুঝতে পারে এভাবে নীরাকে ইগনোর করা ওর ঠিক হয়নি। বেচারি অনেক কষ্ট পেয়েছে।

সে সেখানে কতক্ষণ চুপ করে বসে থেকে পরে বাড়িতে চলে আসে।

সিয়ামের অনেক খারাপ লাগে। ও বুঝার চেষ্টা করে নীরার এমন কেনো হলো? তবে কি নীরা ওকে ভালোবাসে? ওর অন্যরকম থাকাই কি নীরার ভালোলাগা?

প্রশ্নগুলো ওর মাথায় ঘুরতে থাকে। অবশেষে ও সব কথা ওর বেস্টফ্রেন্ড ছোটোবোন আলেয়ার কাছে বলে। আলেয়া সব শুনে বলে

আলেয়া- কবে বড় হবি ভাইয়া তুই? এখনো বুঝতে পারছিসনা যে নীরা আপু তোকে কতটা ভালোবাসে।

সিয়াম চোপ করে থাকে। ও বুঝতে পারে নীরার জন্য ওরও খারাপ লাগছে।

যতদিন নীরা অসুস্থ ছিলো সিয়াম নীরাদের বাসায় গিয়ে নীরাকে দেখে আসতো আর বিকেলে হাঁটতে বের হতো।  নীরাও এতে খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠে।

অবশেষে একদিন বিকেলে,

সিয়াম- আচ্ছা নীরা আমি তো অন্যরকম তাইনা?

নীরা- মোটেও না তুমি সবার মতনই স্বার্থপর।

সিয়াম- তাই?

নীরা- কেনো তুমার অন্যরকম থাকতে ভালোলাগে না? সবার মতন কেনো হতে হবে? এই বলে নীরা রাগিয়ে উঠে চলে যাচ্ছিলো।

নীরার হাত ধরে টান দিয়ে,

সিয়াম- আচ্ছা নীরা কেউ রাগ করলে তার রাগ ভাঙিয়ে তাকে প্রোপোজ করা ঠিক হবে নাকি রাগ না ভাঙিয়েই প্রোপোজ করতে হবে?

নীরা মুচকি হেসে সিয়ামকে জড়িয়ে ধরলো।


[THE END]

Keywords-
রোমান্টিক গল্প, গল্প, ভালোবাসার গল্প


বি.দ্রঃ এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক।  যদি ঘটনাচক্রে কারো বাস্তব জীবনের সাথে মিলে যায় তবে তা সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত। এক্ষেত্রে লেখকের ভাবনা থেকে লেখাকে  ক্ষমাসূলভ দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো। 

Tags-
love story bangladeshi, bangla sms sad love bangla, most heart touching video 2019, heat teaching love story, Very Romantic Bengali love story, valobashar kobita valobashar golpo, valobashar golpo kotha mp3, valobashar golpo natok, valobashar golpo song, bengali romantic love letter, bangla sad valobashar golpo, bangla love story kobita, Sad love story Bangla, valobashar golpo bangla, Most heart touching sad love story make you cry,  

Sunday, May 26, 2019

পৃথিবীতে স্রষ্টার এমন ৪টি সৃষ্টি যার কারন বিজ্ঞানের কাছেও অজানা

যেখানে সৃষ্টকর্তা সবকিছুর স্রষ্টা। সেখানে বিজ্ঞানই বা কতটুকু জানে এই সৃষ্টি সম্পর্কে,পৃথিবীর সব রহস্য সম্পর্কে। পৃথিবীর অনেক রহস্য উদ্ঘাটন করতে গিয়ে বিজ্ঞানীদের নাজেহাল অবস্থা। এমনকি কিছু অদ্ভুত প্রশ্নের উত্তর খোজার ভয়ে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছে। আপনাদের আজ এমন কিছু তথ্য দিব যার উত্তর বিজ্ঞানও জানে না। চলুন তাহলে- 

পৃথিবীতে স্রষ্টার এমন ৪টি সৃষ্টি যার কারন বিজ্ঞানের কাছেও অজানা

Unsolved Science Mysteries
Unsolved Science Mysteries


চাঁদের আকার

বন্ধুরা আমরা তো সবাই পূর্ণিমার চাঁদকে দেখেছি। আর আমরা সবাই জানি পূর্ণিমায় চাঁদকে অনেক বড় দেখায়। যেন মনে হয় এটি পৃথিবী থেকে অনেক কাছে। কিন্তু অমাবস্যা আসার সাথে সাথে এর আকার ধীরে ধীরে ছোট হতে থাকে। কিন্তু চাঁদ অমাবস্যা হোক বা পূর্ণিমা সব সময় পৃথিবীর চতুর্পাশে একই দূরত্বে পরিভ্রমণ করে মানে একই অক্ষে পরিভ্রমণ করে। আপনি কখনও ভেবে দেখেছেন কি কেন এমনটা হয়। হয়তো আপনি কখনও এসব নিয়ে চিন্তাই করে দেখেন নি। কিন্তু প্রায় দেড় হাজার বছর আগে গ্রীক জ্যোতির্বিদ সবার প্রথমে এই ব্যপার নিয়ে চিন্তা করেছিলেন। সে বের করে ছিল এটি ইলুশন পৃথিবীর এটমোস্ফেয়ারের কারনে ঘটে। যদিও তার এই রিসার্চ অল্প সময়ের মধ্যে অন্য বিজ্ঞানীরা ভুল প্রমাণিত করে। তাদের ধারনা এটমোস্ফেয়ারের কারনে চাঁদের গায়ের রং এবং উচ্চতায় প্রভাব পড়তে পারে। কিন্তু এর কারনে চাঁদকে ছোট বড় দেখা সম্ভব না। বর্তমান সময়েও অনেক বিজ্ঞানী চাঁদের এই রহস্য উদ্ঘাটন করতে তাদের সারা জীবন ব্যয় করেছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই রহস্যটি অমীমাংসিতই রয়ে গেছে।

হাই তোলা

হাই তোলা শরীরের এমন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যা আমরা যেকোনো সময়ই করে থাকি। আমরা যখন বোর হই বা ঘুম আসতে থাকে তখন আমরা স্বাভাবিক ভাবে হাই তুলে থাকি। কিন্তু কখনও এটা খেয়াল করেছেন কি কাউকে হাই তুলতে দেখলেও কোনো কারন ছাড়া আমরাও হাই তুলি। অনেকেই হয়তো এই হাই তোলার কথা শুনতে শুনতে হাই তুলে ফেলেছেন। আচ্ছা কেউ কি জানেন এর কারন কি? কেন এমনটা হয়? এর উত্তর আমরা কেন বিজ্ঞানীরাও অনেক বছর ধরে খুজছেন কিন্তু এখনও শক্ত পোক্ত কোনো উত্তর দাড় করাতে পারে নি।

ব্ল্যাক হোল

মহাকাশের সব চেয়ে রহস্যময় ও অদ্ভুত শব্দটি হল ব্ল্যাক হোল। এই শব্দটির সাথে অনেকেই আগেই পরিচিত হয়ে থাকবেন। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন আপনি যদি কখনও ব্ল্যাক হোলে পরে যান তাহলে কি করবেন আপনি? কি হবে আপনার? হয়তো আপনি ভাববেন প্রচন্ড অভিকর্ষ বলের টানে আপনার শরীর ছোট ছোট অংশে ছিড়ে বিভক্ত হয়ে যাবে। কিন্তু কিছু কিছু বিজ্ঞানীদের ভাবনা একদমই অন্যরকম। কিছু কিছু বিজ্ঞানীদের ধারনা আপনি ব্ল্যাক হোলে পরে যাওয়ার সাথে সাথে আপনি মহাকাশ থেকে গায়েব হয়ে যাবেন। এমনকি চলে যেতে পারেন অন্য কোনো এক মহাকাশে। আবার কারো কারো মতে আপনার শরীরের কোনো ক্ষতিই হবে না। তবে আপনি সারাজীবনের জন্য আটকে থাকবেন এই মহাকাশে। এই বিষয়ে সবারই ভিন্ন ভিন্ন মতাতমত রয়েছে। কিন্তু আসলে ব্ল্যাক হোলে পড়লে শরীরের ঠিক কি হবে এবং কোথায় গিয়ে পড়বে। এর কারন হলো ব্ল্যাক হোলে প্রচলিত পদার্থ বিজ্ঞানের কোনো সূত্রই কাজে দিবে না। না থাকবে সেখানে আপনার ওজন আর না থাকবে দৈর্ঘ্য প্রস্থ এবং উচ্চতা। বলতে গেলে ব্ল্যাক হোল একটি দুর্বোধ্য ধাধার নাম যার উত্তর আজ পর্যন্তও কেউ দিতে পারে নি।

ডেজা-ভু

এই শব্দটির সাথে আমরা হয়তো সবাই পরিচিত নই। যেমন কোনো স্থানে কখনও ঘুরতে বা বেড়াতে গেলেন। সেই স্থানে যাওয়ার পর কি কখনও আপনার মনে হয়েছে আরে এই জায়গায় তো আমি এর আগেও এসেছিলাম। বা কারো সাথে কোনো ঘটনা ঘটনার সময় এমনটা কখনও মনে হয়েছে হুবুহু একই রকম ঘটনা কখনও ঘটেছিল আপনার জীবনে। তবে কখন কোথায় ঘটেছিল সেটা মনে করতে পারছেন না। হ্যা বন্ধুরা ঠিক এমনটা মনে হওয়াকেই বলে ডেজা-ভু। তবে বিজ্ঞান এই ঘটনাকে কখনও স্বীকার করে নি। আপনি শুনলে অবাক হবেন যে প্রতি ১০০ জন মানুষের মধ্যে ১জন মানুষকে এই ডেজা-ভুর ভেতর দিয়ে যেতে হয়। হলিউডে প্রায় ডজন খানেক মুভি হয়েছে এই ব্যপার নিয়ে। যাই হোক বিজ্ঞানীরা এই বিষয় নিয়ে গবেষণা করেও কোনো কূল কিনারা পায় নি। তাই আজও এই প্রশ্নের থেকে ধরতে গেলে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বিজ্ঞান। তবে এই বিষয়ের উপর যে মুভি গুলো বের হয়েছে তার নাম জানতে চায়লে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

Saturday, May 25, 2019

বিল গেটস এর এমন পাঁচটি উক্তি যা আপনার জীবনে সফলতা অর্জনে অনুপ্রেরণা যোগাবে

বিল গেটস সম্পর্কে আমরা সবাই একটু আধটু হলেও জানি। পৃথিবীর অন্যতম সফল একজন ব্যাক্তিত্ব, সফল উদ্যোক্তা, মাইক্রোসফট এর প্রতিষ্ঠাতা, পৃথিবীর সবথেকে ধনী ব্যাক্তিদের একজন ইত্যাদি ইত্যাদি।



এছাড়াও বিল গেটস একজন উদার মনের মানুষও বটে। দরিদ্রদের জন্য পৃথিবীকে সুন্দর করতে, বাসযোগ্য করে তুলতে, তাদের জীবনমানের পরিবর্তন করতে বিল গেটস তাঁর সম্পদের একটি বড়ো অংশ বিনিয়োগ করে দিয়েছেন। শিশুদের জন্য টিকার ব্যবস্থা সহ ভালো স্বাস্থসেবার ব্যবস্থা করে তিনি ৫ মিলিয়নেরও বেশি জীবন বাঁচিয়েছেন।



সফলতার গৌরব বিল গেটসকে কখনো স্বার্থপর ও অহংকারী করে তুলতে পারেনি বরং করেছে আরো বিজ্ঞ। তিনি নানা সময়ে মানুষকে নানাভাবে সফলতা অর্জনে উৎসাহিত করেছেন। আজকে আমরা বিল গেটস এর এমন ৫টি উক্তি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো যা আপনাদেরও সফলতা অর্জনে উৎসাহিত করবে আশা করি।

 

বিল গেটস এর এমন পাঁচটি উক্তি যা আপনার জীবনে সফলতা অর্জনে অনুপ্রেরণা যোগাবে



উক্তি এক-

এই পৃথিবীর কারো সাথে নিজেকে কখনো তুলনা করো না। যদি করো তবে তুমি নিজেই নিজেকে অপমান করবে।


উক্তি দুই-

যদি আপনি গরীব হয়ে জন্মান তবে তা আপনার ভুল না তবে যদি আপনি গরীব হয়েই মৃত্যবরণ করেন তবে তা আপনার ভুল।


উক্তি তিন-

আমাদের ভবিষ্যত তখনি টেকসই হবে যখন আমরা গরীবদের জন্য বিনিয়োগ করবো। তখন নয় যখন আমরা তাদের উপর জুলুম করি।


উক্তি চার-

সফলতা উৎযাপন করা ভালো তবে ব্যর্থতার পাঠগুলির দিকে মনোযোগ দেওয়া আরো গুরুত্বপূর্ণ।

উক্তি পাঁচ-

আমাদের সবার ওই বাক্তিটিকে প্রয়োজন যে আমাদের কাজের উপর মতামত দিবে। কেননা এভাবেই আমরা ইম্প্রোভ করতে পারবো

বিশ্বের এমন ৫টি জেল যা আপনার জেল সম্পর্কে হওয়া ধারনাকে পাল্টে দিতে সক্ষম

জেল সম্পর্কে আমাদের সবারই ধারনা রয়েছে। না বন্ধুরা আপনারা সবাই জেলে গিয়েছেন তেমনটা বলছি না। তবে জেলে না গিয়েও এটি সম্পর্কে আমাদের সবার কিছু বা কিছু ধারনা আছে। জেলে কি হয়? জেল কেমন ইত্যাদি। তবে আজ আপনাদের এমন সব জেলের ব্যপারে বলব এতে করে আপনার জেল সম্পর্কে হওয়া ধারনা পুরোটাই পাল্টে যাবে। এমনকি নানা রকম অপরাধমূলক কাজ করে এমন জেলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতিও নিয়ে ফেলবেন। আর দেড়ি না করে শুরু করে ফেলি-

বিশ্বের এমন ৫টি জেল যা আপনার জেল সম্পর্কে হওয়া ধারনাকে পাল্টে দিতে সক্ষম 

বিশ্বের এমন ৫টি জেল যা আপনার জেল সম্পর্কে হওয়া ধারনাকে পাল্টে দিতে সক্ষম
বিশ্বের এমন ৫টি জেল যা আপনার জেল সম্পর্কে হওয়া ধারনাকে পাল্টে দিতে সক্ষম 

Sun Pedro Jail

এই জেলটি একদম ভিন্নরকম। বলিভিয়ার সান পাচে অবস্থিত এই জেলের বিশাল দেয়াল পাড়ি দেওয়া মাত্রই আপনাদের জেল সম্পর্কে সকল ধারনা পাল্টে যাবে। কি নেই এখানে-রেস্টুরেন্ট, বাসা, ক্যাবল টিভি। এমনকি শপিংমল থেকে শুরু করে সব বিশালবহুল জিনিস পায় এখানকার কয়েদিরা। তবে এসবের জন্য টাকাও খরচ করতে হয়। অর্থাৎ যারা টাকা আছে সেই এসব ভোগ করতে পারবে। আর এই টাকাও রোজগার করতে হবে এই জেলে। কি অদ্ভুত তাই না।

Naked jail

এই জেলের নাম শুনেই বুঝতে পারছেন ঠিক কি কি বলতে চলেছি এই জেল সম্পর্কে। এই জেলটির অবস্থান আফ্রিকায়। এই জেলে গেলেই বুঝতে পারবেন কি অদ্ভুত নিয়ম এই জেলের। এই‌ জেলে পুলিশেরা প্রতিনিয়ত কয়েদিদের নানা রকম শাস্তি দিয়ে থাকে। তাই বলে এমনটা। এই জেলে যাওয়ার ১ বছর পর্যন্ত কয়েদিদের নগ্ন করে রাখা হয়। ওয়েদার যাই হোক না কেন। হোক প্রচন্ড গরম এমনকি হাঁড় কাপানো ঠান্ডা। আর এই অবস্থায় যদি কেউ শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয় তাহলে যার জন্য রয়েছে আরও ভয়ংকর শাস্তি।

Halden Prison Norway

এই জেল নরওয়েতে রয়েছে। এই জেলের ব্যবস্থা আরও অনেক ভালো। এই জেলে রয়েছে। বড় বড় প্রাইভেট রুম,বাথরুম, লাইব্রেরি, টেলিভিশন ছাড়াও অনেক কিছু। যা কোনো সাধারন পরিবারের পক্ষে এতো কিছু ম্যানেজ করা সম্ভব নয়। আর এই সকল প্রকার সুবিধা এই জেলের ভেতর রয়েছে।  এমনকি এই জেলে ডিউটিরত থাকা পুলিশের সাথেও আপনি অবসর সময়ে গল্প করতে পারবেন। খেলতে পারবেন।

Bostoy Prison Norway

এই জেলের অবস্থানও নরওয়েতে। এই জেলে আপনি ব্যাডমিন্টন, টেনিস, ওয়াইফাই কানেকশন ভিডিও গেম খেলা ইত্যাদি সকল প্রকার সুবিধাই রয়েছে। এছাড়া ভালো থাকার জায়গা, খাবারের ব্যবস্থা তো রয়েছেই। এমনকি এই জেলে কয়েদিদের জন্য চুল কাটা, বডি ম্যাসাজ করার জন্য আলাদা আলাদা লোক নিয়োগ করা থাকে। সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যপার হলো এসব সুব্যবস্থা আপনি টাকা দিয়ে নয় বরং অপরাধ করলেই পাবেন। 

Two Persons Jail

এই জেলটি লন্ডনে অবস্থিত। জেলটির কার্যক্রম যতটা অদ্ভুত জেলটি দেখতে তার থেকেও বেশি অদ্ভুত। এই জেলটি দেখতে এতোটাই ছোট যে কেউ কেউ দেখলে এটাকে বড় কোনো পাবলিক টয়লেট ভেবে ভুল করতে পারে। লন্ডনের মানুষ এতো ছোট একটা জেল কি মনে করে বানিয়েছিল কে জানে। সবথেকে অদ্ভুত হলো এই জেলটি মাত্র দুজন মানুষের জন্য বানাবো হয়েছে। এই জেলের কয়েদি শুধু মাত্র দুই জন।

"আজব রকমের এই জেলে যাওয়ার ইচ্ছা আছে নাকি কারো???"