শসার উপকারিতা
![]() |
| শসার উপকারিতা |
১.পানিশূণ্যতা দূর করতে
মনে করুন আপনার পানি পিপাসা পেয়েছে আর আপনি এমন কোথাও আছেন যেখানে পানির অভাব রয়েছে। কিন্তু হাতের কাছে শসা রয়েছে। সেক্ষেত্রে শসা আপনাকে সাহায্য করতে পারে। আপনি বড় রকমের একটা শসা খেয়ে নিন। দেখবেন পানি পিপাসা মিটে যাবে এবং বেটার অনুভব করবেন। কারন শসার ৯০ শতাংশই পানি।২. দেহের বাইরের এবং ভেতরের তাপ শোষণ করতে
যদি কখনও আপনি দেহের ভেতর ও বাইরে উত্তাপ অনুভব এবং জ্বালাপোড়া অনুভব করেন। সেক্ষেত্রে আপনি শসা কেটে খেলেই ভালো অনুভব করবেন। তাছাড়া যদি ত্বকেও এমন জ্বালাপোড়া অনুভব করেন সেক্ষেত্রেও শসা কার্যকরি। শসা কেটে ত্বকে লাগিয়ে নিলেই জ্বালাপোড়া কমে যাবে।৩. বিষাক্ততা দূর করতে
আমাদের দেহের বৈর্জ ও বিষাক্ততা দূর করতে শসা অনেকটা ঝাটার মতো কাজ করে। নিয়মিত শসা খেলে কিডনিতে সৃষ্ট পাথরও গলে যায়।৪. প্রাত্যহিক ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করতে
প্রতিদিন আমাদের যেসব ভিটামিনের দরকার হয়। তার বেশির ভাগই থাকে শসার মধ্যে। ভিটামিন এ,বি,সি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সবুজ শাকসবজি ও গাজরের মধ্যে শসা পিষে রস খেয়ে নিলেই এসব ভিটামিনের অভাব পূরণ হবে।৫. ত্বকবান্ধব খনিজের সরবরাহক হিসেবে
শসায় উচ্চমাত্রায় ম্যাগনেসিয়াম,পটাশিয়াম ও সিলিকন আছে যা ত্বকের জন্য বিশেষ ভুমিকা পালন করে।
৬. হজম ও ওজন হ্রাসে
শসায় উচ্চমাত্রায় পানি ও নিম্নমাত্রায় ক্যালরিযুক্ত উপাদান রয়েছে। তাই যারা নিজের ওজন কমাতে চান তাদের জন্য শসা ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারন শসা চর্বি কাটতে কার্যকরি ভুমিকা পালন করে। তারা নিয়মিত যে কোনো খাবারে শসা এবং সালাত হিসেবেও শসা খেতে পারে। তাছাড়া কাচা শসাও চিবিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। নিয়মিত শসা খেলে কোষ্ঠ্যকাঠিন্যও দূর হয়।৭. চোখের জ্যোতি বাড়াতে
সৌন্দর্য্যচর্চায় অনেকেই চোখের উপর শসা গোল করে কেটে লাগিয়ে রাখে। এতো চোখের উপরে জমে থাকা ময়লাকে অপসারিত করে। এটি চোখের জ্যোতি বাড়াতেও সাহায্য করে। এমনকি এটি চোখের ছানি পড়া রোধেও ভুমিকা পালন করে।স্বাস্থ্য ও ঔষধি গুণ:
- শসার মাল্টি ভিটামিনস ও মাল্টি মিনারেলস প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে এবং ভিটামিন ও মিনারেলসের অভাবজনিত সমস্যা থেকে রক্ষা করে।
- শসার পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
- এর ম্যাগনেসিয়াম রক্ত চলাচল সচল করে।
- শসার আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় করে।
- এর ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস; লিগনান্স হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমানোসহ জরায়ু ও প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
- এটি মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে। শরীরের জমানো ক্ষতিকর ও বিষাক্ত উপাদানগুলো অপসারণ করে রক্তকে পরিষ্কার রাখে।
- শসা হাত ও পায়ের নখ ভাঙা প্রতিরোধ করে।
- পাইরিয়ার কারণে দাঁত ও মাড়ির রোগে শসা উপকারী।

0 comments: