পৃথিবীর সবথেকে আতংকজনক ও ভীতিকর ৫টি স্থান -
চাঙ্গী বিচ, সিঙ্গাপুর :
এই স্থানটির রচনা হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়। 'সোক চিং' যুদ্ধ সংগঠিত হওয়ার পর জাপানিরা অনেক নিরীহ চীনা নাগরিককে হত্যা করে সেই স্থানে কবর দেয়। তারপর থেকে সেই স্থানে ভুতের উৎপাৎ শুরু হয়। স্থানটি হয়ে উঠে ভুতুড়ে। প্রতি রাতেই সেই স্থান থেকে কান্নার শব্দ ভেসে উঠে। মনে হয় যেন কেউ বা কান্না করতে করতে সামনের দিকে এগিয়ে আসছে। অনেক পর্যটক এখানে অনেক রাত করে ঘুরতে আসে এবং সাথে করে নিয়ে যায় এক ভয়ানক অভিজ্ঞতা। এখন পর্যন্ত অনেক মানুষ স্বিকার করেছে তারা সেখানে অদ্ভুত কান্নার শব্দ পেয়েছে। এমনকি স্থানীয়রা ভয়ে রাতে এই স্থানের ধারে কাছেও আসে না।ক্রিমিং টানেল, নায়াগ্রা ফলস :
ভৌতিক স্থান গুলার মধ্যে সব থেকে ভয়ানক স্থান এটি। এখানকার স্থানীয়রা বলেছে এই টানেলের ভেতরে যদি কেউ ম্যাচের কাঠি দিয়ে আগুন জালায় তবে সেই আগুনের গোলা বাইরে চকে যায় এবং সেখান থেকে একটি মেয়ের ভয়ানক চিৎকার শোনা যায়। স্থানীয়রা নিজে এটি বলেছে। এমনকি স্থানীয়রা কাউকে এখানে যেতে দেয় না।![]() |
| পৃথিবীর সবথেকে আতংকজনক ও ভীতিকর ৫টি স্থান |
ভাঙ্গার দুর্গ,ইন্ডিয়া :
এই স্থানটি ইন্ডিয়ার রাজস্থানের পাশে অবস্থিত। স্থানীয়রা দাবি করেন ওই স্থানে নাকি অনেক অভিশাপ আছে। এমনকি তারা এটাও দাবি করেছে কোনো এক ঋষি যারা এখানে মারা যাবে তাদের আত্মা নাকি এখা বছরের পর বছর বন্দি থাকবে। সবথেকে আশ্চর্যজনক ব্যপার হলো এখানকার কোনো বাড়ির ছাদ নেই। কারন এই ছাদ গুলা নাকি হঠাতই ভেঙ্গে পরে। স্থানীয়রা জানিয়েছে সন্ধ্যার পর এই স্থানে যারা গিয়েছে তারা আর ফিরে আসে নি। তাই এখানকার সরকার পর্যটকদের সন্ধ্যার পর সেখানে যেতে নিষেধ করে দিয়েছে।মন্টে ক্রিস্ট,অস্ট্রেলিয়া :
এটি একটি ভৌতিক বাড়ি। এই বাড়ির মালিক ক্রাওলি। তার স্বামির মৃত্যুর পর ২৩ বছরে মাত্র ২বার বাড়ির বাইরে বের হয়েছে বলে জানা যায়। সবথেকে অবাক করা ব্যপার হলো আজও নাকি তার স্বামিকে সেই বাড়িতে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। এটি জানিয়েছে এর বাড়ি থেকে যারা ঘুরে এসেছে তাদের থেকে। তারা আরও জানিয়েছে সেই বাড়িতে নাকি কি সব অস্বাভাবিক ঘটনার সম্মুখীন হয়েছে তারা। তারা বলেছে বাড়ির ভেতরে গেলে মনে হয় কে যেন আয়নার সামনে দাড়িয়ে আছে আবার হুট করে মিলিয়ে যাচ্ছে। তারা জানায় তারা যখন ক্রাওলির ঘরে প্রবেশ করে তখন তাদের শ্বাস বন্ধ অবস্থা ছিল এমনকি মনে হচ্ছিল যেন শরীরে রক্তবর্ণের আভা দেখা দিচ্ছে। তারা এটাও জানায় যে বাড়ির বাইরে আসার সাথে সাথে সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যায়।ডোমিনিকান হিল, ফিলিপাইনস:
এটির অবস্থান ফিলিপাইনে। সবাই বলে এখানে নাকি যুদ্ধের সময় যারা আহত হতো তাদের চিকিৎসা দেয়া হতো। আর চিকিৎসারত অবস্থায় যারা মারা যেত তাদের নাকি এখানেই কবর দেওয়া হতো। পরবর্তীতে জায়গাটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এখানকার মানুষেরা বলে রাত হলে এখান থেকে নাকি অদ্ভুত রকমের সব শব্দ পাওয়া যায়। কখনও গুলির শব্দ, কখনও মানুষের বাঁচার জন্য আর্তনাদ ইত্যাদি। যা সবার মনে ভয়ের সঞ্চার করত। ভয়ে এখানে কেউ আসে না। আর যারা টুরিস্ট আসে তারা দূর থকে দেখেই চলে যায়। আজও পর্যন্ত সেই জায়গায় গিয়ে কেউ ভয় না পেয়ে ফিরে আসে নি।তো বন্ধুরা সর্বশেষ কথা আমার আপনাদের ভয় দেখানো মোটেও উদ্দেশ্য ছিল না। মজা দেওয়াই ছিল আমার উদ্দেশ্য। এমনকি এই জায়গা গুলো সম্পর্কে আজও পরিষ্কার ভাবে কিছু প্রমাণ পাওয়া যায় নি। তবে আপনাদের ভৌতিক স্থান গুলোর মধ্যে সবথেকে কোনটিকে বেশি ভয়ানক মনে হয়েছে তা কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

0 comments: