যেখানে সৃষ্টকর্তা সবকিছুর স্রষ্টা। সেখানে বিজ্ঞানই বা কতটুকু জানে এই সৃষ্টি সম্পর্কে,পৃথিবীর সব রহস্য সম্পর্কে। পৃথিবীর অনেক রহস্য উদ্ঘাটন করতে গিয়ে বিজ্ঞানীদের নাজেহাল অবস্থা। এমনকি কিছু অদ্ভুত প্রশ্নের উত্তর খোজার ভয়ে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছে। আপনাদের আজ এমন কিছু তথ্য দিব যার উত্তর বিজ্ঞানও জানে না। চলুন তাহলে-
পৃথিবীতে স্রষ্টার এমন ৪টি সৃষ্টি যার কারন বিজ্ঞানের কাছেও অজানা
Unsolved Science Mysteries
চাঁদের আকার
বন্ধুরা আমরা তো সবাই পূর্ণিমার চাঁদকে দেখেছি। আর আমরা সবাই জানি পূর্ণিমায় চাঁদকে অনেক বড় দেখায়। যেন মনে হয় এটি পৃথিবী থেকে অনেক কাছে। কিন্তু অমাবস্যা আসার সাথে সাথে এর আকার ধীরে ধীরে ছোট হতে থাকে। কিন্তু চাঁদ অমাবস্যা হোক বা পূর্ণিমা সব সময় পৃথিবীর চতুর্পাশে একই দূরত্বে পরিভ্রমণ করে মানে একই অক্ষে পরিভ্রমণ করে। আপনি কখনও ভেবে দেখেছেন কি কেন এমনটা হয়। হয়তো আপনি কখনও এসব নিয়ে চিন্তাই করে দেখেন নি। কিন্তু প্রায় দেড় হাজার বছর আগে গ্রীক জ্যোতির্বিদ সবার প্রথমে এই ব্যপার নিয়ে চিন্তা করেছিলেন। সে বের করে ছিল এটি ইলুশন পৃথিবীর এটমোস্ফেয়ারের কারনে ঘটে। যদিও তার এই রিসার্চ অল্প সময়ের মধ্যে অন্য বিজ্ঞানীরা ভুল প্রমাণিত করে। তাদের ধারনা এটমোস্ফেয়ারের কারনে চাঁদের গায়ের রং এবং উচ্চতায় প্রভাব পড়তে পারে। কিন্তু এর কারনে চাঁদকে ছোট বড় দেখা সম্ভব না। বর্তমান সময়েও অনেক বিজ্ঞানী চাঁদের এই রহস্য উদ্ঘাটন করতে তাদের সারা জীবন ব্যয় করেছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই রহস্যটি অমীমাংসিতই রয়ে গেছে।
হাই তোলা
হাই তোলা শরীরের এমন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যা আমরা যেকোনো সময়ই করে থাকি। আমরা যখন বোর হই বা ঘুম আসতে থাকে তখন আমরা স্বাভাবিক ভাবে হাই তুলে থাকি। কিন্তু কখনও এটা খেয়াল করেছেন কি কাউকে হাই তুলতে দেখলেও কোনো কারন ছাড়া আমরাও হাই তুলি। অনেকেই হয়তো এই হাই তোলার কথা শুনতে শুনতে হাই তুলে ফেলেছেন। আচ্ছা কেউ কি জানেন এর কারন কি? কেন এমনটা হয়? এর উত্তর আমরা কেন বিজ্ঞানীরাও অনেক বছর ধরে খুজছেন কিন্তু এখনও শক্ত পোক্ত কোনো উত্তর দাড় করাতে পারে নি।
ব্ল্যাক হোল
মহাকাশের সব চেয়ে রহস্যময় ও অদ্ভুত শব্দটি হল ব্ল্যাক হোল। এই শব্দটির সাথে অনেকেই আগেই পরিচিত হয়ে থাকবেন। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন আপনি যদি কখনও ব্ল্যাক হোলে পরে যান তাহলে কি করবেন আপনি? কি হবে আপনার? হয়তো আপনি ভাববেন প্রচন্ড অভিকর্ষ বলের টানে আপনার শরীর ছোট ছোট অংশে ছিড়ে বিভক্ত হয়ে যাবে। কিন্তু কিছু কিছু বিজ্ঞানীদের ভাবনা একদমই অন্যরকম। কিছু কিছু বিজ্ঞানীদের ধারনা আপনি ব্ল্যাক হোলে পরে যাওয়ার সাথে সাথে আপনি মহাকাশ থেকে গায়েব হয়ে যাবেন। এমনকি চলে যেতে পারেন অন্য কোনো এক মহাকাশে। আবার কারো কারো মতে আপনার শরীরের কোনো ক্ষতিই হবে না। তবে আপনি সারাজীবনের জন্য আটকে থাকবেন এই মহাকাশে। এই বিষয়ে সবারই ভিন্ন ভিন্ন মতাতমত রয়েছে। কিন্তু আসলে ব্ল্যাক হোলে পড়লে শরীরের ঠিক কি হবে এবং কোথায় গিয়ে পড়বে। এর কারন হলো ব্ল্যাক হোলে প্রচলিত পদার্থ বিজ্ঞানের কোনো সূত্রই কাজে দিবে না। না থাকবে সেখানে আপনার ওজন আর না থাকবে দৈর্ঘ্য প্রস্থ এবং উচ্চতা। বলতে গেলে ব্ল্যাক হোল একটি দুর্বোধ্য ধাধার নাম যার উত্তর আজ পর্যন্তও কেউ দিতে পারে নি।
ডেজা-ভু
এই শব্দটির সাথে আমরা হয়তো সবাই পরিচিত নই। যেমন কোনো স্থানে কখনও ঘুরতে বা বেড়াতে গেলেন। সেই স্থানে যাওয়ার পর কি কখনও আপনার মনে হয়েছে আরে এই জায়গায় তো আমি এর আগেও এসেছিলাম। বা কারো সাথে কোনো ঘটনা ঘটনার সময় এমনটা কখনও মনে হয়েছে হুবুহু একই রকম ঘটনা কখনও ঘটেছিল আপনার জীবনে। তবে কখন কোথায় ঘটেছিল সেটা মনে করতে পারছেন না। হ্যা বন্ধুরা ঠিক এমনটা মনে হওয়াকেই বলে ডেজা-ভু। তবে বিজ্ঞান এই ঘটনাকে কখনও স্বীকার করে নি। আপনি শুনলে অবাক হবেন যে প্রতি ১০০ জন মানুষের মধ্যে ১জন মানুষকে এই ডেজা-ভুর ভেতর দিয়ে যেতে হয়। হলিউডে প্রায় ডজন খানেক মুভি হয়েছে এই ব্যপার নিয়ে। যাই হোক বিজ্ঞানীরা এই বিষয় নিয়ে গবেষণা করেও কোনো কূল কিনারা পায় নি। তাই আজও এই প্রশ্নের থেকে ধরতে গেলে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বিজ্ঞান। তবে এই বিষয়ের উপর যে মুভি গুলো বের হয়েছে তার নাম জানতে চায়লে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।
0 comments: