Friday, February 15, 2019

চুলের খুসকির সমস্যা দুর করার সহজ উপায়

চুল নিয়ে মানুষ নানা ভাবে সমস্যায় পরে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সমস্যা হল খুসকি। মাথায় খুসকি হলে চিন্তার শেষ থাকে না। পুরনো কোষগুলো যখন ঠিক ঠাক মতো ঝড়ে যেতে পারে না তখন সেগুলো জমে যায় এবং ফাঙ্গাস সংক্রমিত হয়। যার ফলে খুসকি হয়। মাথায় নানা ভাবেই সমস্যা হতে পারে। মাথার ত্বক যদি অতিরিক্ত তৈলাক্ত হয়,যদি চুল নিয়মিত পরিষ্কার না করা হয় তাহলে সহজেই খুশকি হয়। চুল অনেক দিন পরিষ্কার না করলে চুলের চামড়া মরে যায়। ফলে খুসকির সৃষ্টি হয়। তবে এই সমস্যাও দূর করা যায় খুব সহজে। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক-

চুলের খুসকির সমস্যা দুর করার সহজ উপায়
চুলের খুসকির সমস্যা দুর করার সহজ উপায়

চুলের খুসকির সমস্যা দুর করার সহজ উপায়


উপকরণ - 

• তেতুল
• পানি

পদ্ধতি-

১. প্রথমে পুরোনো তেতুল পানিতে গুলে নিন।
২. এরপর তা আলতো ভাবে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে নিন।
৩.১০-১২মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর আপনার ব্যবহার করা শ্যাম্পু দিয়ে চুলকে ভালো ভাবে পরিষ্কার করে নিন। এভাবে সপ্তাহে ২দিন এভাবে চুলে লাগালে খুসকি দূর হবে। এমনকি মাথার চুলকানিও নিরাময় হবে।

উপকরণ-

• টক দই
• মেহেদি পাতা

পদ্ধতি-

১. প্রথমে মেহেদি পাতা বেটে তাতে ২টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে নিন।
২. এরপর তা আলতো করে চুলের গোড়ায় লাগান।
৩. চুল শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে  নিন। এভাবে সপ্তাহে একদিন করে ব্যবহার করলে করলে চুলের খুসকি দূর করার সাথে সাথে চুল হয়ে উঠবে রেশমি।

উপকরণ-

• লেবুর রস
• পেয়াজের রস

পদ্ধতি-

১. প্রথমে ২চা চামচ লেবুর রসের সাথে ২চা চামচ পেয়াজের রস মিশিয়ে তাতে ১টা অথবা ২টা ডিমের সাদা অংশ দিন।
২. এরপর ভালোভাবে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে নিন।
৩. চুল শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন।এতে করে চুলের খুসকি দূর তো হবেই।সাথে চুল হবে মসৃণ ও আকর্ষনীয়।

উপকরণ- 

•মেথি
•লেবুর রস

পদ্ধতি- 

১.প্রথমে মেথিয়ে ভিজিয়ে তা বেটে তার থেকে রস বের করে নিন। তার সাথে ২চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন।
২.এরপর চুল শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। লেবু চুলের মরা চামড়া দুর করতে সেই কাজ করে এমনকি চুলের তৈলাক্ততা দুর করতেও কার্যকরি।

বিশেষ কিছু টিপস

চুলকে নিয়মিত আচড়ান। পুষ্টিকর খাবার খান। চুলকে পরিষ্কার রাখুন সবসময়। কারন অপরিষ্কার চুলে খুসকি হয় বেশি। যদি উপরোক্ত পদ্ধতি অবলম্বন করেও কোনো ফলাফল পাচ্ছেন না। তাহলে ভালো কোনো চর্মরোগের ডাক্তার দেখান।
Previous Post
Next Post

0 comments: