পৃথিবীতে থাকা এমন সব স্থান যেসব স্থানের ব্যখ্যা বিজ্ঞানীরাও দিতে হিমশিম খেয়ে গেছেন
![]() |
| পৃথিবীতে থাকা এমন সব স্থান যেসব স্থানের ব্যখ্যা বিজ্ঞানীরাও দিতে হিমশিম খেয়ে গেছেন |
Al Nasla
সৌদি আরবে আশ্চর্য্যজনক একটা পাথর রয়েছে। যে পাথরটিকে দেখে মনে হবে পাথরটিকে কেউ নিখুতভাবে ডিজাইন করেছে। প্রাকৃতিক ভাবেই এটি এমন ভাবে সৃষ্টি হয়েছে। এই পাথরের উপর একটা ছবি আকা রয়েছে। যাতে একজন ব্যক্তি উটের কিংবা ঘোড়ার সাথে দাড়িয়ে আছে। ধারনা করা হয়েছে এই ছবিটা অনেক হাজার বছর আগের পুরোনো।Spotted Lake
বসন্ত ঋতুর সময় এই ঝিলটি অন্যসব ঝিলের মতোই মনে হয়। কিন্তু গরমের সময় এটা রঙিন গোল গোল আকার ধারন করে। যার রং রঙিন এবং বাদামি রংয়ের হয়ে থাকে। স্থানীয়রা মনে করে এই লেকের পানিতে আয়ুর্বেদিক শক্তি রয়েছে। যা পান করলে মানুষের মধ্যে থাকা রোগ প্রতিরোধ হয়। এমনকি এই পানি চিকিৎসা কাজেও ব্যবহৃত হয়। এই জন্য এই লেককে আয়ুর্বেদিক লেকও বলা হয়ে থাকে।Namibian Fairy Circle
এই স্থানে একটি গোল সার্কেল করা আছে। স্থানীয়রা মনে করে এই গুলা দেবতার পায়ের ছাপ। যা কিনা তারা হাটার সময় ফেলে গেছে। এমনকি স্থানীয়রা মনে করে মাটির নিচে থাকা ড্রাগন তাদের নিঃশ্বাসে এই জায়গাটিকে বিষাক্ত করে দিয়ে গেছে। আর যার কারনে এই স্থানে এমন সার্কেল তৈরি হয়েছে। কিন্তু বিজ্ঞানীদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এই স্থানে সার্কেল গুলো প্রাকৃতিক ভাবেই তৈরি হয়েছে।
Naga Fireball
প্রত্যেক বছর অক্টোবর ও মে মাসে মেকং নদীর পাশে মানুষ জন আকাশে আলোকিত একটা রশ্মি দেখতে পায়। বিজ্ঞানীদের ধারনা অনুযায়ী এই রশ্মির কারন নদীতে থাকা মিথেন গ্যাস। এই মিথেন গ্যাসের কারনে আগুন লেগে যায়। আর সেই বাতাসে আলোকিত রশ্মি দেখা যায়।সত্যিই অবাক করার মতো ব্যপার।
Artic Holes
Artic এই স্থানটি আগে থেকে রহস্যময় জায়গা হিসেবে অনেকের কাছেই পরিচিত। কিন্তু এই স্থানে থাকা গর্ত গুলো নিয়ে বিজ্ঞানীরা এখনও চিন্তিত। বিজ্ঞানীরা জানায় এই স্থানে থাকা গর্ত গুলোর প্রধান কারন হলো এখানে থাকা সিল মাছ শ্বাস প্রশ্বাস নেওয়ার জন্য বরফের ভেতর গর্ত গুলো করেছে।

0 comments: